আমাদের ভিশন
বাংলাদেশের অন্যতম পরিকল্পিত নগর উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্বে পরিচিত হওয়া এবং আগামী প্রজন্মের জন্য টেকসই আবাসন ও দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করা।
স্বর্গছায়া রিয়েল এস্টেট লিমিটেড
স্বর্গছায়া রিয়েল এস্টেট লিমিটেড বাংলাদেশের উদীয়মান ও দূরদর্শী রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান। আমাদের লক্ষ্য পরিকল্পিত, আধুনিক ও দীর্ঘমেয়াদে মূল্যবান আবাসন এবং বাণিজ্যিক নগরায়ণ গড়ে তোলা। প্রতিটি প্রকল্প উন্নত অবকাঠামো, পরিবেশগত ভারসাম্য এবং বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদী সম্পদ বৃদ্ধির দর্শনের উপর ভিত্তি করে পরিকল্পিত।

দেশ ও মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিচালনার পাশাপাশি আবাসন, নির্মাণ, কৃষি ও আতিথেয়তা খাতে টেকসই উন্নয়নে কাজ করছে স্বর্গছায়া গ্রুপ।
ভিশন ও মিশনবাংলাদেশের অন্যতম পরিকল্পিত নগর উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্বে পরিচিত হওয়া এবং আগামী প্রজন্মের জন্য টেকসই আবাসন ও দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করা।
১৮০ ফিট ঢাকা সিটি বাইপাস এবং পূর্বাচল ২৭ ও ২৮ নং সেক্টর সংলগ্ন কৌশলগত অবস্থানে পরিকল্পিত গেটেড কমিউনিটি।
01
02
03
04
05
06
এছাড়াও স্বপ্ন নিবাসে থাকছে Smart Urban Features—
পরিকল্পিত আবাসন, সবুজ পরিবেশ, আধুনিক সুবিধা ও প্রাণবন্ত কমিউনিটির কিছু মুহূর্ত দেখুন।
নির্ভরযোগ্য বিনিয়োগ, নিরাপদ ভবিষ্যৎ
স্বর্গছায়া রিয়েল এস্টেট লিঃ - এর স্বপ্ননিবাস এমন একটি সম্ভাবনাময় স্থানে অবস্থিত, যেখানে পূর্বাচল ও ১৮০ ফিট ঢাকা সিটি বাইপাসকে কেন্দ্র করে সরকারের বৃহৎ উন্নয়ন কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে চলছে। প্রকল্পের চারপাশে ইতোমধ্যেই গড়ে উঠেছে এবং নির্মাণাধীন রয়েছে গ্রামীণ ইউনিভার্সিটি, গ্রামীণ ওয়্যারহাউজ, ইউনিলিভার ওয়্যারহাউজ, দারাজ ওয়্যারহাউজ, ৩০০ শয্যার ডিভাইন মার্সি হাসপাতাল, সেন্ট জেভিয়ার্স ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, সেন্ট জোসেফ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ছুটি রিসোর্ট, কাল্ব রিসোর্ট এবং জিন্দা পার্ক-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এসব উন্নয়ন প্রকল্পের কারণে এলাকার জমির মূল্য ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা ভবিষ্যতের বিনিয়োগকে আরও লাভজনক করে তুলছে।
সরকারের পরিকল্পিত রাজউক পূর্বাচল নতুন শহর এবং আশেপাশের অবকাঠামোগত উন্নয়নের ইতিবাচক প্রভাব স্বপ্ননিবাস প্রকল্পের ওপর সুস্পষ্টভাবে পড়ছে। পরিকল্পিত নগরায়ন, সড়ক উন্নয়ন এবং ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক কার্যক্রমের ফলে এই অঞ্চলের জমির মূল্য দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার শক্তিশালী সম্ভাবনা রয়েছে। তাই আজকের বিনিয়োগ ভবিষ্যতে উল্লেখযোগ্য মুনাফার সুযোগ এনে দিতে পারে।
স্বপ্ননিবাসের অবস্থান এমন একটি অঞ্চলে, যা ঢাকা শহর, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং রাজউক পূর্বাচল উপশহরের সাথে দ্রুত সংযুক্ত। পূর্বাচল, ১৮০ ফিট ঢাকা সিটি বাইপাস এবং ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক করিডোরের সংযোগস্থলে হওয়ায় এই অঞ্চল আগামী দিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও আবাসিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠছে। ফলে যোগাযোগ সুবিধার পাশাপাশি আপনার বিনিয়োগের মূল্যও দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
স্বপ্ননিবাস শুধু একটি আবাসন প্রকল্প নয়—এটি একটি পরিকল্পিত ভবিষ্যৎ কমিউনিটি। প্রকল্পের বাণিজ্যিক প্লটগুলো এমনভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, অফিস, শোরুম, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি সমৃদ্ধ বাণিজ্যিক পরিবেশ গড়ে ওঠে। আজকের সঠিক বিনিয়োগ আপনাকে আগামী দিনের ব্যবসায়িক সাফল্যের অংশীদার করতে পারে।
স্বপ্ননিবাস একটি পরিবেশবান্ধব, আধুনিক এবং সচেতন আবাসন প্রকল্প। আমরা এমন একটি বাসযোগ্য কমিউনিটি গড়ে তুলছি, যেখানে প্রকৃতি, স্বাস্থ্য এবং আধুনিক জীবনযাত্রার মধ্যে থাকবে সুন্দর সমন্বয়।
প্রকল্পের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে থাকছে—
স্বপ্ননিবাস এমন একটি প্রকল্প যেখানে আধুনিক পরিকল্পনা, কৌশলগত অবস্থান, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের সমন্বয়ে আপনার বিনিয়োগ হয়ে উঠবে আরও নিরাপদ ও লাভজনক। নিজের স্থায়ী ঠিকানা কিংবা ভবিষ্যতের সম্পদ—উভয় ক্ষেত্রেই স্বপ্ননিবাস হতে পারে আপনার সেরা সিদ্ধান্ত।
“স্বপ্ননিবাস শুধুমাত্র একটি আবাসন প্রকল্প নয়, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী স্বপ্ন ও ভিশনের বাস্তব রূপ। আমরা এমন একটি নগর সম্প্রদায় গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে প্রকৃতির সান্নিধ্যে আধুনিক নাগরিক সুবিধাসম্পন্ন সুন্দর জীবনযাপন সম্ভব হবে।”
স্বচ্ছতা, বিশ্বস্ততা ও গ্রাহকসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আপনার গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগকে নিরাপদ ও লাভজনক করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
প্লট বুকিংয়ের জন্য কোম্পানির নির্ধারিত বুকিং ফরম যথাযথভাবে পূরণ করতে হবে। আবেদনকারীর ২ (দুই) কপি এবং নমিনীর ১ (এক) কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)-এর ফটোকপি এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজপত্র জমা দিতে হবে। নমিনীর ছবি আবেদনকারী কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে।
বুকিং মানি, ডাউন পেমেন্ট, কিস্তি, উন্নয়ন ফি, ইউটিলিটি সংযোগ ফি এবং অন্যান্য সকল প্রযোজ্য অর্থ শুধুমাত্র স্বর্গছায়া রিয়েল এস্টেট লিমিটেড-এর অনুকূলে নগদ, চেক, পে-অর্ডার, ব্যাংক ট্রান্সফার, RTGS, BEFTN, TT অথবা কোম্পানি অনুমোদিত অন্যান্য মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।
এককালীন বুকিংয়ের ক্ষেত্রে ৩০ দিনের মধ্যে মূল্য পরিশোধ করতে হবে। কিস্তির ক্ষেত্রে ২০% ডাউন পেমেন্ট সাপেক্ষে বাকি টাকা কিস্তিতে পরিশোধযোগ্য।
বুকিং মানি এবং ২০% ডাউন পেমেন্ট পরিশোধ করার পর ক্রেতার সঙ্গে Deed of Agreement (চুক্তিপত্র) Non-Judicial Stamp অথবা Company Letter Head Pad-এ সম্পন্ন করা হবে।
প্রকল্পে পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস (যদি প্রযোজ্য হয়), ড্রেনেজ/স্যুয়ারেজ, ইন্টারনেট ও টেলিফোনসহ অন্যান্য প্রধান ইউটিলিটি সংযোগ সরকারি নীতিমালা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে স্থাপন করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত সকল ফি/চার্জ এবং মেইন লাইন থেকে নিজ প্লটে সংযোগ স্থাপনের ব্যয় ক্রেতাকে বহন করতে হবে।
প্রকল্পের অভ্যন্তরীণ রাস্তা, ড্রেনেজ, উন্মুক্ত স্থান, পার্ক ও অন্যান্য সাধারণ সুবিধাসমূহের উন্নয়ন, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ কোম্পানির তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হবে। ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদের নিকট হস্তান্তর করা হতে পারে।
ক্রেতা যদি কোনো কারণে বুকিং বাতিল করতে চান, তাহলে কোম্পানির প্রচলিত বাতিল নীতিমালা অনুযায়ী প্রযোজ্য সার্ভিস চার্জ ও অন্যান্য খরচ কর্তন করে অবশিষ্ট অর্থ ফেরত প্রদান করা হবে।
চুক্তি অনুযায়ী সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ এবং প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর ক্রেতার নামে জমির সাফ কবলা/রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে মালিকানা হস্তান্তর করা হবে।
দেশের বাইরে অবস্থানরত বাংলাদেশি (NRB) ক্রেতাগণ বৈধ প্রতিনিধি (Power of Attorney) অথবা অনলাইন/ডিজিটাল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোম্পানির নীতিমালা অনুসরণ করে প্লট বুকিং ও ক্রয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন।
স্ট্যাম্প ডিউটি, রেজিস্ট্রেশন ফি, ভ্যাট, কর, মিউটেশন এবং আইন অনুযায়ী প্রযোজ্য অন্যান্য সরকারি ফি ও চার্জ ক্রেতাকে বহন করতে হবে।
প্রকল্পের সার্বিক উন্নয়ন, সরকারি নির্দেশনা অথবা বাস্তব প্রয়োজনের আলোকে প্রকল্পের মাস্টারপ্ল্যান, ডিজাইন, লে-আউট, রাস্তা, সুবিধা ও অন্যান্য অবকাঠামোতে যুক্তিসঙ্গত পরিবর্তন, সংযোজন বা পরিবর্ধনের অধিকার কোম্পানি সংরক্ষণ করে। এ ধরনের পরিবর্তনের ফলে প্লটের অবস্থান পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে উভয় পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হবে।
প্রতিটি প্লট মালিককে ভবন নির্মাণের পর অব্যবহৃত খালি স্থানে গাছ, ফুল বা ফলজ উদ্ভিদ রোপণ ও পরিচর্যা করতে উৎসাহিত করা হয়, যাতে প্রকল্পের পরিবেশ ও সৌন্দর্য বজায় থাকে।
চুক্তি অনুযায়ী সকল অর্থ পরিশোধ এবং প্রকল্পের উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর নির্ধারিত সীমানা চিহ্নিত করে আনুষ্ঠানিকভাবে প্লট ক্রেতার নিকট হস্তান্তর করা হবে।
প্লট গ্রহীতাকে প্রতি মাসের ০১ থেকে ১০ তারিখের মধ্যে চলতি মাসের কিস্তি পরিশোধ করতে হবে। প্লট বুকিংয়ের পর একটানা ০৩ মাস কিস্তি প্রদানে ব্যর্থ হলে বা কিস্তি প্রদান না করলে উক্ত প্লট বুকিং বাতিল করার ক্ষমতা কোম্পানি সংরক্ষণ করে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বাস্তবায়নে কোনো ধরনের বিলম্ব হলে তা প্লট গ্রহীতার সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
এই শর্তাবলীর আওতাভুক্ত নয় এমন যেকোনো বিষয়ে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত ও কার্যকর বলে গণ্য হবে।
আবাসনে নিশ্চয়তা, বিশ্বাসে নির্ভরতা। পরিকল্পিত, আধুনিক ও টেকসই আবাসনের বিশ্বস্ত ঠিকানা।
Level # 11, House # 50, Block # C, Road # 11, Banani Model Town, Bangladesh—1213
Dhaka City Bypass, St Anthony Rd, Panjora, Nagari, Kaliganj, Gazipur—1720
শনিবার–বৃহস্পতিবার, সকাল ০৯:৩০–সন্ধ্যা ০৬:০০; শুক্রবার বন্ধ
অফিসে আসার আগে Google Map থেকে রুট দেখে নিন।